Letter from a Daughter-in-Law

 

It has been a custom among Bengali Hindus to write letters exchanging greetings on the occasion of Vijaya Dashami.  Last year, my wife wrote this letter to my mother .  Unfortunately, it arrived after she had  passed away on 30th October.  

Though it is very personal, I think it also conveys feelings that may touch some chords and that’s why I have posted it on my blog, with a free translation in English.

রাজশাহী, বাংলাদেশ
২৪ অক্টোবর ২০১৫
পূজনীয়া মা,

প্রথমেই আপনি আমার শুভ বিজয়াদশমীর প্রণাম নেবেন। বাড়ির বড়দের আমার বিজয়ার প্রণাম জানাবেন। … কে আমার ভালবাসা ও শুভেচ্ছা দেবেন। আশা করি আপনারা সকলে ভাল আছেন। জানি, বয়সের কারণে আপনার শারীরিক অবস্থা ভাল নয়, কিন্তু এই পুজোর কটা দিন বাড়ির সবাইকে নিয়ে আপনি ভাল থাকেন।
কয়েক বছর হল আপনাকে আর বিজয়ার চিঠি দেওয়া হয় না; দিদির মারফৎই সব কথা হয়। প্রণাম ও আশীর্বাদ এখন ফোনের লাইন দিয়েই যাতায়াত করে। আজ আবার নতুন করে চিঠি লিখতে বসে বেশ ভালই লাগছে। কানে শোনার অসুবিধে থাকার কারণে ফোনে কোন দিনই আপনার সঙ্গে আমার কথা হয়নি। সবসময়ই আপনি চিঠি পড়তে ভালবাসতেন – আর আপনি পড়তে ভালবাসতেন বলেই হয়তো আমার লেখার আগ্রহ জন্মাত। মনে পড়ে আপনাকে লেখা আমার প্রথম বিজয়ার চিঠি – ১৯৮৩ সালে, ভিয়েতনাম থেকে। তখন তো চিঠি লিখতে গেলেই কাগজে টপ টপ করে চোখের জল পড়ত। পাতার পর পাতা চিঠি লিখতাম – আমার চোখে দেখা এক অজানা দেশের চিত্র, সেখানকার লোকেদের জীবনযাত্রা সবই তুলে ধরতাম চিঠিতে। এক মাস পর আপনার হাতে পড়ে সেই চিঠি আবার জীবন্ত হয়ে উঠত।
এখন আমরা দেশের কাছাকাছি আছি, তাই আর আগের মতো পূজো-পার্বণে মন খারাপ করেনা। সব উৎসবেই সবার সঙ্গে আনন্দ করতে পারি। এবারে সপ্তমী থেকে ঠাকুর দেখা শুরু করেছি। অষ্টমী ও নবমী তে ঠাকুর দেখা ও ভোগ খাওয়া দুইই হয়েছে।
শহরের পূজো দেখেই বড় হয়েছি – এবারে গ্রাম বাংলার পূজোয় এক নতুন অভিজ্ঞতা হল । মাটির একতলা দোতলা বাড়ি, সামনে ধানের খেত। মাঠের মাঝে কাশফুল, নদীতে জেলেদের জাল ফেলা, ছোট ছোট বাচ্চাদের পুকুরের জলে দাপাদাপি। তারই মধ্যে দূর থেকে ভেসে আসছে ঢাকের আওয়াজ। সব মিলিয়ে এ অন্য এক পরিবেশ। বড় রাস্তার ধারে প্যান্ডেলের একটা গেট করা আছে – সেই রাস্তা ধরে প্রায় এক কিলোমিটার হাঁটার পর দেখা যায় মাঠের ওপর পূজোর প্যান্ডেল – যেখানে মা দুর্গা অপেক্ষা করছেন ভক্তদের জন্যে। এখানে নেই কোনও থিম বা চটকদার আলোর প্রতিযোগিতা, না আছে বিজ্ঞাপন । এখানকার গ্রামে অবশ্য পূজোর সময় মেলা হয়। প্রচুর লোকের সমাগম, বাচ্চা-কোলে মহিলাদের কেনাকাটা দেখতে ভাল লাগে।
ছেলেরা ভাল আছে, তবে আমি কাছে না থাকাতে ওরা পূজোয় কোন কিছুই করেনা – আর ওদের অফিসও খোলা থাকে। বাঙালীর দুর্গোৎসব যে কি তা ওরা কিছুই বুঝল না।
আশা করি এই চিঠি আপনি নিজেই পড়তে পারবেন। দিদি বলছিল সূর্যের জোরালো আলো না হলে আপনার পড়তে অসুবিধে হয়। ভেবে ভাল লাগছে যে ১০১ বছর বয়সেও আপনি আমাদের সঙ্গে আছেন ও নিত্য আশীর্বাদ করে যাচ্ছেন। আবার আপনার শরীরের কষ্ট দেখলে মনও খারাপ হয়ে যায়। আমরা ভাল আছি।
প্রণাম জানিয়ে চিঠি শেষ করলাম। ইতি
ছোট বৌমা

………………………………………………………………………………………………………………..

“Respected Mother,

Please accept my “Pranam” on the occasion of Vijay Dashami and convey my greetings to all.  I know you are not keeping too well because of your age, but these few days of Puja you feel well in the company of others at home.

It is now several years  that I wrote to you on the occasion of Vijaya Dashami…we exchange information through Sister.  These days, everything, including conveying of greetings and extending  blessings, is done through the ‘phone.  But, because of your hearing problems, we never spoke to each other over the phone.  I feel good writing this letter after such a long time.

You were always fond of reading – and perhaps because you liked it – I too felt the urge to write.  I do remember about my first letter to you which I wrote in 1983 from Vietnam.  Those days tears would roll down my cheeks whenever I sat down to write to you.   I would write you long letters, describing the country, the life of its people and so many other things.   You  would read them after a month, since those days it took that long for letters to reach India.

We are now nearer home, and therefore, feel less nostalgic during various festivals.  This year, I had a new experience – that of seeing Durga Puja in rural Bangladesh.  I did not get this opportunity earlier as we were city-based.  With clusters of village huts – big and small – surrounded by paddy fields fringed by bushes of white “Kash flower”, fishermen busy casting their nets and children splashing around in ponds, while  the sound of drums being played in some distant Puja Mandap is carried by the gentle breeze- it is indeed a completely different environment.  There is no “theme-based Puja” here; no decoration of electric lights, no competition.  Neither is there any publicity.  Of course, in some villages country fairs are held. It is nice to see men and women moving around the fair grounds buying various things.

The boys are fine; but I feel sorry for them since they have no idea about Durga Puja in the rural areas.  In fact, they hardly participate in such celebrations as their offices remain open on those days.

I hope you will be able to read this letter.  Didi tells me that you can read, provided there is strong sunlight. I do understand your suffering due to physical difficulties and feel bad for that. But we also are fortunate that even at this age of 101 years you are with us – blessing us all this while.

We are fine.  Once again I bow to you.

Yours ……    ”

 

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Blog at WordPress.com.

Up ↑

%d bloggers like this: